বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া ২০২৪ (সেরা ১৮ টি)

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা (সেরা ১৮ টি)


বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি? এই প্রসঙ্গে নিশ্চই কারো সাথে আলোচনা করে থাকবেন কিংবা ইন্টারনেট সার্চ।


আমরা জানি, ব্যবসা বরাবরের মতোই অনেক জনপ্রিয় এবং লাভজনক পেশা। আর এর জন্য অধিকাংশ লোকেরা ব্যবসাকে তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে।


কিন্তু এখনও যারা নতুন অবস্থায় ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন, তাদের মাথায় একটি প্রশ্ন থাকে যে, মোটামুটি পুঁজির মধ্যে লাভজনক ব্যবসা কোনটি হতে পারে, আর আমার কোনটিকে বেছে নেওয়া উচিত।


আপনিও যদি এই চিন্তায় আছেন, তো চিন্তার কোনো কারণ নেই আজকের আর্টিকেলে আমরা এমনই ১৮টি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানবো যেগুলো বর্তমান সময়ে লাভজনক এই বলা চলে। তাহলে চলুন আইডিয়া গুলো জেনে নেওয়া যাক।


বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ১৮টি ব্যবসা আইডিয়া ২০২২


১. ই-কমার্স ব্যবসা


Covid-19 বা করোনা ভাইরাস এর জন্য বর্তমান সময়ে অফলাইন ব্যবসাগুলোর অবস্থা অনেকটা শৌচনিয় বলা চলে। কিন্তু যদি অনলাইন E-commerce Business এর দিকে লক্ষ করেন তাইলে দেখতে পারবেন ভিন্ন চিত্র।


করোনা ভাইরাস এর জন্য অনলাইন ব্যবসাগুলোর জনপ্রিয়তা অনেকটা বেড়ে গেছে এবং ই-কমার্স বিজনেস অনেকটাই লাভজনক হয়ে উঠেছে।


কেননা লোকেরা এখন ঘরে বসে থেকে অনলাইনের দ্বারা ছোট থেকে বড় সকল প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারছেন। আর কাস্টমারের অর্ডার করা প্রোডাক্ট সমূহ  বিক্রেতা তাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসছে। যার জন্য কিছু কিনতে হলে কাওকে আর বেশি দূরে যেতে হচ্ছে না।


এসময় যদি আপনিও একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দার করিয়ে ফেলতে পারেন, আপনি অনেকটাই লাভবান হবেন।


E-commerce Business এর মানে হচ্ছে আপনার যেকোনো প্রডাক্ট কিংবা সার্ভিসকে ওয়েবসাইট দ্বারা বিশ্বের যেকোনো মানুষের কাছে বিক্রি করা।


এই ব্যবসার একটি সুবিধা হচ্ছে, আপনি আপনার কাঙ্খিত পণ্য বিশ্বের যেকোনো মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা চলে এটি লাভজনক ব্যবসা।


২. ফাস্টফুড ডেলিভারি


খাবার খেতে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। আজকাল লোকেরা তাদের পছন্দের খাবার গুলো বাড়িতে বসেই অর্ডার করতে পছন্দ করেন। আর কম পুঁজি নিয়ে যদি লাভজনক কোনো বিজনেস শুরু করতে চান তাহলে এটি আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো বিজনেস হবে।


নানান ধরনের ফাস্ট ফুড আইটেম আছে, সেগুলো তৈরি করে আপনি বিভিন্ন লোকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।


এই ব্যবসার কাজ আপনি ঘরে থেকে করতে পারবেন, আপনার প্রয়োজন একটি রান্নাঘর, একজন ভালো কারিগর (যে ভালো রান্না করতে পারেন), সুস্বাদু রেসিপি (মানুষ যেগুলো পছন্দ করে)।


এরপর আর কি, রান্না করুন, অর্ডার দিন এবং পৌঁছে দিন লোকের ঘরে ঘরে।



৩.ওয়েব ডিজাইন বিজনেস


Web Design হলো ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে ওয়েবসাইটের যতসব ডিজাইন এর কাজ করা।


আর বর্তমান সময়ে ওয়েব ডিজাইনিং এর রয়েছে বিপুল পরিমাণে চাহিদা। কিন্তু চাহিদা মোতাবেক ভালো ডিজাইনার এর রয়েছে অভাব।


আর তাই ওয়েব ডিজাইন মার্কেটপ্লেসে সফল হতে হলে আপনাকে ওয়েব ডিজাইনিং এর ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।


যেকোনো ব্যবসার আগে আমরা ইনভেস্ট নিয়ে চিন্তা করি, তবে এই বিজনেস এর জন্য ইনভেস্ট নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে না। কম টাকায় এই বিজনেস শুরু করতে পারি আমরা, তবে ভালোমতো দক্ষ হয়ে তারপর এই প্লাটফর্মে কাজে নামতে হবে।


ওয়েব ডিজাইন অত্যন্ত লাভজনক এবং জনপ্রিয় একটি বিজনেস।


৪.হস্তশিল্পের ব্যবসা


হস্তশিল্পের বিপুল সম্ভার রয়েছে বাংলায়। বাংলায় হাজার রকম এর হস্তশিল্প রয়েছে। আর এর চাহিদা ও বলতে গেলে বেশ ভালো রয়েছে।


দেশে বিদেশে মার্কেটপ্লেসে হস্তশিল্পের পণ্য ভালো পরিমাণে বিক্রি হয়ে থাকে।


বিশেষ করে গ্রামের লোকেরা তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নানান ধরনের ডিজাইন দিয়ে বিভিন্ন হস্তশিল্প বানিয়ে থাকে।


আপনি চাইলে নানান জায়গা থেকে হস্তশিল্পের সামগ্রী কম দামে ক্রয় করে তাতে ভালো ডিজাইন দিয়ে মার্কেটে সেটি বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া অনলাইনে লোকেরা এই ধরনের পণ্য কিনে থাকে, তাই অনলাইন প্লাটফর্ম দ্বারা আপনি এই পণ্য গুলি বিক্রি করে ভালোই লাভ করতে পারবেন।


৫.মোবাইল সার্ভিসিং


মোবাইল ফোন ব্যাবহারকারীর সংখ্যাটা সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলছে। ছোট বড় সকলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এবং ভবিষ্যতেও করবে।


আর মোবাইল ব্যবহার করলে তাতে সমস্যাও নিশ্চই হবে, যার জন্য Mobile Repair করতে হয়। ফলে mobile repairing এর ব্যবসাটি অনেক লাভজনক।


এই ব্যবসা করতে আপনাকে কোনো বড় ইনভেস্ট করতে হবে না, শুধুমাত্র মোবাইল রিপেয়ারিং এর কোর্স করতে হবে। এটি আপনারা অনলাইনের দ্বারা করতে পারেন অথবা আপনার আসে পাশে থাকা নানান ট্রেনিং সেন্টার দ্বারা ও করতে করবেন।


এরপর আর কি কাজ শিখে একটি ছোট দোকান দিয়ে বিজনেস শুরু করে দিন। একটি মোবাইলের উপরে ৫০০-৭০০ কিংবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে, তাই বলা চলে মাস শেষে ভালো অংকের ইনকাম হবে আপনার।


৬.ব্লগিং বিজনেস


অনলাইনে আয় করার জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ব্লগিং (Blogging) দ্বারা আয়। শুধুমাত্র লেখালেখির দক্ষতা থাকলে আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারবেন।


এছাড়া একদম লো ইনভেস্ট এর মধ্যে যদি কোনো বিজনেস শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার জন্য সবথেকে বেশি লাভজনক হবে ব্লগিং।


ব্লগিং শুরু করতে হলে তেমন কিছুই আপনার প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র একটি ডোমেইন, হোস্টিং, এবং একটি প্রিমিয়াম থিম এসকল কিছু আপনি ২-৩ হাজার টাকার মধ্যে নিতে পারবেন। এছাড়াও Blogger দ্বারা আপনি একটি ফ্রী ব্লগ সাইট বানিয়ে তাতে লিখালিখি করি আয় করতে পারবেন।


তাই আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো কম ইনভেস্ট এর মধ্যে লাভজনক ব্যবসা করতে হলে ব্লগিং কে বেছে নিন। ব্লগ মার্কেটপ্লেস তে আপনার ব্লগ সাইট একবার দাড়িয়ে গেলে আপনি বিপুল অর্থ আয় করতে পারবেন।


৭.ইউটিউবিং বিজনেস


জনপ্রিয় সোশ্যাল ভিডিও ভান্ডার হচ্ছে ইউটিউব (YouTube)। আপনি হয়তো এতদিন ইউটিউবকে শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে জেনে এসেছেন।


কিন্তু ইউটিউব কিন্তু একটি জনপ্রিয় বিজনেস মাধ্যমও। কেননা আপনি চাইলে ইউটিউব দ্বারা বিজনেস করে অর্থ আয় করতে পারেন।


হ্যাঁ, আপনি নির্দ্বিধায় ইউটিউবকে নিজের প্রফেশন হিসেবে বেছে নিতে পারেন।


বর্তমানে অসংখ্য মানুষ ইউটিউবকে তাদের ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। আবার অনেকে তাদের শখের বসে ও ইউটিউব কাজ শুরু করে।


YouTube তে আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী যেকোনো কনটেন্ট আপলোড করতে পারবেন। যত বেশি মানুষ আপনার কনটেন্ট দেখবে তত বেশি আয় আপনার হবে ইউটিউব থেকে।


YouTube এ আপনার স্পন্সর, বিজ্ঞাপন, এফিলিয়েট দ্বারা অর্থ আয়ের সুযোগ থাকছে। এছাড়া সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করতে পারবেন ইউটিউব ভিডিও আপলোড এর দ্বারা।


৮. টি-শার্ট প্রিন্টিং বিজনেস


সকল বয়সী ছেলে মেয়েরা টি-শার্ট পরতে অনেক পছন্দ করে থাকে। আর তাই যেকোনো জায়গাতে T-shirt এর বিপুল চাহিদা রয়েছে।


বিভিন্ন ডিজাইন করা T-shirt গুলি ছেলে মেয়েরা অনেক পছন্দ করে থাকে।


তাই T-shirt প্রিন্টিং এর বিজনেস করে আপনি আয় করতে পারেন। এই বিজনেস টি শুরু করতে হলে শুরুতে আপনার একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং এর মেশিন কিনতে হবে।


৫০হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে একটি ভালো প্রিন্টিং মেশিন ক্রয় করতে পারবেন। তবে চিন্তার কারণ নেই এই ব্যবসাটিও অনেক লাভজনক, পুঁজির টাকা উঠতে খুব বেশি সময় প্রয়োজন হবে না।


৯. ফটোগ্রাফি বিজনেস


ফটোগ্রাফি অনেকের প্রিয় শখ। আমাদের মধ্যে অনেকেই ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসি। এক্ষেত্রে ফটোগ্রাফিকে আমরা বিজনেস হিসেবে বেছে নিতে পারি।


ফটোগ্রাফি বিজনেস আমার কাছে অনেকটা ভালো বলে মনে হয়, যদি আপনি মন থেকে ছবি তুলতে পছন্দ করেন তবে এটি নিশ্চই আপনার কাছেও বেশ ভালো মনে হবে।


ফটোগ্রাফির বিজনেস করার জন্য আপনাকে ফটোগ্রাফির বেসিক ধারণা জানতে হবে। অনলাইনে আপনি অনেক ধরনের ধারণা পেয়ে যাবেন।


বিয়ের ইভেন্ট থেকে শুরু করে সব ধরনের ইভেন্টে আপনি ফটোগ্রাফি করতে পারেন


এই বিজনেস এর জন্য আপনার একটি ভালো ক্যামেরা, কম্পিউটার এবং এডিটিং দক্ষতা এর প্রয়োজন হবে।


১০.কাঁচা বাজারের ব্যবসা


কাঁচা বাজারের সামগ্রী প্রত্যেক ঘরে ঘরে রান্নার কাজে প্রয়োজন হয়। আর তাই কাঁচা বাজার বিজনেস ও লাভজনক।


কাঁচা বাজারের ব্যবসা আপনি আপনার কোনো এলাকাতে শুরু করতে পারেন, অথবা আরো যদি লাভবান হতে পারবেন যদি আপনি কাঁচা বাজারের হোম ডেলিভারি ব্যবসা করতে পারেন।


অর্থাৎ কাঁচা বাজার সামগ্রী কোথায় স্টোক রেখে, সেটিকে মানুষের কাছে বাড়িতে বাড়িতে পৌছে দেওয়া। এর জন্য আপনি ওয়েবসাইট অথবা মোবাইল অ্যাপ এর সাহায্য নিতে পারেন।


এরপর আপনার উক্ত অ্যাপ/ওয়েবসাইট থেকে গ্রাহকরা কাঁচা বাজার সামগ্রী অর্ডার করলে আপনি সেটি বাড়িতে গিয়ে পৌছে দিয়ে আসবেন।


১১. কাপড়ের ব্যবসা


অতীত থেকেই কাপড়ের ব্যবসা চলে আসছে। আর বরাবরের মতোই আজও কাপড়ের ব্যবসা লাভজনক ব্যবসায়।


এই ব্যবসাতে পরিশ্রম করলে এবং সৎ ভাবে ব্যবসার কাজ পরিচালনা করলে শীঘ্রই সফল হতে পারবেন। ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাপড় পাইকারি ব্যবসায়ীদের থেকে কম দামে ভালো মানের কাপড় সংগ্রহ করে একটি দোকান  খুলুন।


দেখুন, গ্রাহক সবসময চায় কম দামের মধ্যে ভালো মানের কাপড় কিনতে, আর তাই আপনি যদি সে অনুসারে একবার ব্যবসাটি শুরু করেন তাহলে বেশ ভালো বেচাকেনা করতে পারবেন।


১২. ইলেকট্রিক প্রোডাক্ট এর বিজনেস


বর্তমানে প্রায় সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আছে। তাই ইলেকট্রিক পণ্য আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বাল্ব, লাইট, ফ্যান, সুইচ, সকেট ইত্যাদি ইলেকট্রিক পণ্য আমাদের নিত্য ব্যবহার করার জিনিষ।


তাই বলা চলে ইলেকট্রিক বিজনেসে ক্রেতার কমতি হবে না। মার্কেট যাচাই করে নির্ধারিত স্থানে একটি দোকান দিয়ে, সেখানে ইলেকট্রিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ইলেকট্রিক পণ্যগুলোর দাম একটি বেশি হওয়ায় প্রথম অবস্থায় মোটামুটি ইনভেস্ট করতে হবে।


পাইকারি দামে ইলেকট্রিক প্রোডাক্ট কিনে নিতে পারেন অথবা বিভিন্ন কোম্পানির ডিলার থেকে হোলসেলে পণ্য কিনে নিতে পারেন।


১৩.অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স বিক্রি করুন


করোনা ভাইরাস এর পর থেকে মানুষ অনেকটাই অনলাইন নির্ভরশীল হয়ে গিয়েছে। যার ফলে এখন অনেক মানুষ প্রতিনিয়ত অনলাইনে সক্রিয় থাকছে।


আর একটা সময় ছিল যখন আমাদের কোনো কিছু শিখতে হলে কিংবা জানতে হলে, অথবা কোনো কোর্স করতে হলে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হতো, ভালো ট্রেইনার খুঁজে নিতে হতো।


তবে বর্তমানে অনলাইনের দ্বারা যেকোনো কোর্স খুব সহজেই করা যাচ্ছে ঘরে বসেই।


তাই আপনার যদি কোনো বিষয়ে দক্ষতা থেকে থাকে, আপনি সেটিকে কোর্স হিসেবে বানিয়ে অনলাইনে অনেক মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারেন। এইটাও এক ধরনের বিজনেস এবং এটি অনেক লাভজনক।


এই বিজনেসে আপনারও লাভ হচ্ছে এবং বিপরীতে আপনার কোর্স যার প্রয়োজন সে ও পেয়ে যাচ্ছে।


১৪. বেকারি ব্যবসা


খাবারের বিজনেস গুলোর মধ্যে বেকারির ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। বেশ অনেকদিন ধরেই চলে আসছে বেকারির ব্যবসাটি।


আমাদের প্রতিদিনের নাস্তায় বেকারির নাস্তা নিত্য সঙ্গী বলা চলে। বেকারির বিভিন্ন নাস্তা আমাদের সকলের বেশ প্রিয়।


এই ব্যবসা শুরু করতে প্রথম অবস্থায় আপনার একটু ব্যয় করতে হবে। বেকারির নাস্তা তৈরিতে যে মেশিন প্রয়োজন, এবং কারখানা প্রয়োজন তার বাবদে স্থানভেদে ৬-৮ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে প্রথম অবস্থায়।


তবে এই ব্যবসায় লাভ ও রয়েছে ভালো। বেকারির নাস্তা বানিয়ে বিভিন্ন দোকানে দোকানে সেগুলোকে সেল করতে পারেন।


১৫. আচারের ব্যবসা


আচার অনেক মুখরোচক একটি খাবার। আচার খেতে সবারই অনেক ভালো লাগে। আমাদের প্রায় সবার ঘরে ঘরে আচার বানানো হয়ে থাকে।


ব্যবসায়িক দিকেও আচার বিজনেস লাভজনক। আর এই ব্যবসাটি শুরু করতে আপনাকে খুব বেশি বড় ইনভেস্ট করতে হবে না। আর বাড়িতেই আচার বানিয়ে আপনি চাইলে সেটিকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন।


যদি আপনার আচার একবার মানুষের ভালো লাগতে শুরু করে তাহলে বিভিন্ন বড় বড় রোস্তঁরা থেকে আপনার কাছে আচারের অর্ডার আসবে।


বিভিন্ন মৌসুমের বিভিন্ন ফল দিয়ে আপনি আচার বানাতে পারেন।


১৬. কসমেটিকস পণ্যের বিজনেস


কসমেটিকস এর দোকানে ভিড় থাকছেই প্রতিনিয়ত। কেননা মেয়েদের নানান ধরনের কসমেটিকস সামগ্রীর প্রয়োজন হয়ে থাকে, যার জন্য তারা কেনাকাটা করতে কসমেটিকস এর দোকান গুলোতে ভীড় করে থাকে।


আর তাই আপনিও চাইলে আপনার আসে পাশে মার্কেটে একটি কসমেটিকস এর দোকান খুলে দিতে পারেন। এটি অবশ্যই একটি লাভজনক ব্যবসা।


১৭.ঘড়ি বিক্রি ব্যবসা


ছোট বড় সকলেই ঘড়ি পড়তে অনেক ভালোবাসি। ঘড়ি দেওয়ার ফলে আমাদের বরাবরের চেয়ে বেশি হান্ডসাম দিখতে লাগে।


যেকোনো জায়গায় ঘড়ির চল রয়েছে। তাই আপনি বিভিন্ন ব্র্যান্ড বা কোম্পানির ঘড়ি নিয়ে একটি ছোট দোকান দিতে পারেন ঘড়ির। সাথে ঘড়ি রিপেয়ারিং এর সার্ভিস ও দিতে পারেন।


১৮.কনটেন্ট রাইটিং/লেখালেখি


কনটেন্ট রাইটিং এর বিজনেসটি আমারও খুব পছন্দের একটি বিজনেস। এই প্লাটফর্মে আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আপনি ভালো অর্থ আয় করতে পারেন।


ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সবাই এই বিজনেস করতে পারেন। বিভিন্ন জায়গায় আপনি কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ করতে পারেন। আর এর জন্য শুধুমাত্র আপনার ভালো কনটেন্ট লেখার দক্ষতার প্রয়োজন।


নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত


লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলো জেনে তো নিলাম, তবে ব্যবসা শুরুর আগে আমাদের কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানা উচিত।সেগুলো হলোঃ


১) সঠিক ব্যবসায়িক পণ্য নির্বাচন করাঃ ব্যবসা শুরুর আগে নির্বাচন করতে হবে কোন প্রডাক্ট নিয়ে বিজনেস শুরু করবেন। আপনি চাইলে আপনার দেওয়া আইডিয়া গুলো থেকে একটি বেছে নিয়ে আপনার বিজনেস শুরু করতে পারবেন।


২)মূলধন জোগাড়ঃ বিজনেস শুরু করতে হলে মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে। আপনার বেছে নেওয়া ব্যবসাটি শুরু করতে কত মূলধন বিনিয়োগ করতে হবে সেটি যাচাই করে ,জোগাড় করুন প্রথমে।


৩)ব্যবসা শুরুর স্থান নির্ধারণঃ আপনার বেছে নেওয়া পণ্য কোন স্থানে বেশি বিক্রি হবে, অথবা কোন প্লাটফর্মে এর বেশি চাহিদা আছে সেটিকে যাচাই করে নিন।


অফলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে স্থান নির্ধারণ করতে হয়, তবে অনলাইনের ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট দ্বারা সব করতে পারবেন।


৪)বিজনেস প্ল্যানঃ বিজনেস শুরু করার আগে উক্ত বিজনেস সম্পর্কে একটি বিজনেস প্ল্যান বা ব্যবসায়িক প্ল্যান করে নেওয়া ভালো। এতে আপনার ব্যবসার শুরু থেকে শেষটা অনেক ভালো হবে।


৫)ঝুঁকি মোকাবেলাঃ ব্যবসার সাথে ঝুঁকির অনেক বড় সম্পর্ক আছে, তাই ঝুঁকি গ্রহণ করেই বিজনেস শুরু করতে হবে।


৬)ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণঃ একটি বিজনেস শুরু করার পর অনেক ধরনের ভুল আপনার হতে পারে, তাই বলে ভেঙে পড়লে হবে না, আপনাকে উক্ত ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।


আমাদের শেষ কথা


তাহলে বন্ধুরা আজকে আমরা বর্তমান সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলো সম্পর্কে জানতে পারলাম।


তবে আপনিও যদি ব্যবসা শুরুর কথা ভাবছেন সেক্ষেত্রে আমার বলা আইডিয়া থেকে একটি বেছে নিয়ে শুরু করে দিতে পারেন।


আর মাথায় রাখতে হবে ব্যবসা করতে গেলে অনেক ধরনের বাধা বিপত্তির আসতে পারে, তাই বলে অর্ধেক পথে গিয়ে ভেঙে পড়লে হবে না। সবকিছু মোকাবেলা করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারলেই আপনি সফল ব্যবসায়ী হয়ে উঠতে পারবেন।


আর্টিকেলটা ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করে দিবেন।  কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে মন্তব্য করে জানাবেন। আল্লাহ হাফেজ


আরো দেখুন 



 
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post